শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উচ্চ তাপমাত্রা, সংঘাত ও সংকট ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত পঙ্গু হাসপাতালে ‘নো রিলিজ, নো ট্রিটমেন্ট’ বলেছিল হাসিনা ৫ আগস্টের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি সরকারি ৭ কলেজকে পাঠদানে নতুন কাঠামো ঘোষণা এক বছরে রাজনৈতিক সংঘাত-সহিংসতায় বিএনপি ৯২%, ঘটনায় জড়িত আগামী সপ্তাহে রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প গাজায় জিম্মিদের বিষয়ে বৈঠকে বসবে নিরাপত্তা পরিষদ: ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত গণঅভ্যুত্থানের এক বছর: বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নেই ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা, হাসিনার পতনের ইঙ্গিত

প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক / ৭৬০ জন দেখেছেন
আপডেট : August 2, 2025
প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল মন্ত্রণালয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে একটি ব্যাখ্যামূলক বিবৃতি দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শনিবার (২ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ শুধুমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্যই চালু রাখা হয়েছে, যাতে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরা আর্থিক প্রণোদনার মাধ্যমে শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদ’-এর একটি সংবাদ সম্মেলনে বৃত্তি পরীক্ষার ব্যাপারে উত্থাপিত বক্তব্য সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেখানে উত্থাপিত দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের শিক্ষা জরিপ অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিম্নবিত্ত পরিবারের। আর কিন্ডারগার্টেনে অধিকাংশই তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছল পরিবার থেকে আসা। ফলে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ এসব দরিদ্র পরিবারের শিশুদের শিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক হবে।

এর আগে গত ২৩ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদ অভিযোগ করে, সরকারি পরিপত্রের মাধ্যমে কিন্ডারগার্টেন ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তারা এ সিদ্ধান্তকে বৈষম্যমূলক দাবি করে তা প্রত্যাখ্যান করে।

সংগঠনটির দাবি, দেশে প্রায় ৫০ হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ১ কোটির বেশি শিক্ষার্থী এবং ৮ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। তারা প্রাথমিক শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অথচ, পরিপত্র অনুযায়ী শুধুমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিটিআই-সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয় ও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

বিষয়টি প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয় জানায়, প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৯৯০ এবং সংবিধানের ১৭ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা বিনা খরচে সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে প্রদান করা হয়। এসব বিদ্যালয় সকল শিশুর জন্য উন্মুক্ত। যারা কিন্ডারগার্টেনে সন্তানদের ভর্তি করান, তারা সেটি স্বেচ্ছায় করেন। ফলে এই পরীক্ষার বিষয়টি বৈষম্যমূলক নয়।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন বৃত্তি পরীক্ষায়’ অংশ নিতে পারে না, যেটি কিন্ডারগার্টেনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হয়। একইভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষাও শুধুমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য খবর...